ছোটবেলা আর বড়বেলার তুলনার সবচেয়ে বড় মাপকাঠি বোধয় বিস্ময়. ছোটবেলায় একটা পিঁপড়ের সারি দেখার সময়ও অবাক লাগে, ওরা মুখে মুখ দিয়ে কথা বলে! কি আশ্চর্য ! একটা পিঁপড়ে উল্টোদিক থেকে আসা পিঁপড়ের মুখে মুখ লাগিয়ে কি যেন একটা কথা বলল, আবার সেও কথা শোনা শেষ হলে এগোতে থাকল নিজের গন্তব্যের দিকে. এগোতে এগোতে তার উল্টো দিক থেকে আসা পিঁপড়ের মুখে তুলে দিল সেই কথাটা. এই করে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ল সেই খবর. কি যে খবর সেটা কিছুতেই বোঝাবার জো নেই. বার বার কান পেতেও শোনা যায় না ওদের কথা. কি আশ্চর্য ! ধ্বনির কম্পাঙ্ক, শ্রবণ যন্ত্রের ক্ষমতা, মানুষের ঘিলু, মনুষ্যেতর প্রাণীর ফাঁপা মাথা ইত্যাদি রিয়েলিস্টিক বুজরুকির ভিড় তখনকার বিস্ময়ের পথে কাঁটা দিয়ে উঠতে পারেনি কখনো. তারপর বয়স বাড়ে. মানুষের বাচ্চারা ক্রমশ মানুষ হয়ে উঠতে থাকে. আর ক্রমাগত ভুলতে থাকে অবাক হওয়ার কৌশল. তাদের গিলতে থাকে সবকিছুকে সাধরণ ভাবার অভ্যেস. আর যতটুকু বিস্ময় অবশিষ্ট থাকে প্রথমবার শপিংমলে আসা বাচ্চার চোখে, হাঁ হয়ে যাওয়া মুখে, তা তার বাবার স্মার্ট বানানোর চেষ্টার সামনে ফিকে হয়ে যায়. মায়ের সাবধানতায় সমঝে যায়---এরম করে চারপাশ দেখলে লোক ক্যাবলা ভাববে. আ...